Sports Bangla

১১ ইনিংস পর হাফসেঞ্চুরি

১১ ইনিংস পর হাফসেঞ্চুরি

১১ ইনিংস পর হাফসেঞ্চুরি
জুলাই ৩০
১৩:২৬ ২০১৫

Milestone-wedding-1-main colorগত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে সর্বশেষ হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন বাংলাদেশ দলের সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। পরের ইনিংসে অবশ্য ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এরপর থেকেই মুশফিকের রান খরা। শেষ অব্দি বৃহস্পতিবার এই শনির দশা থেকে মুক্তি মিলেছে বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়কের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট হাফসেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক। দক্ষিণ আফ্রিকান বোলার ডিন অ্যালগারের বলে আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৬৫ রান। ফলে ১১ ইনিংস পর আরেকটি টেস্ট হাফসেঞ্চুরি সঙ্গী হয়েছে মুশফিকের।

টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি মুশফিকের ১৫তম হাফসেঞ্চুরি। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার জেপি ডুমিনির বলটি লং অনে ঠেলে দিয়ে মুশফিক তার ক্যারিয়ারের দীর্ঘতম হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। ৭৯ বল খেলে ৭টি বাউন্ডারিতে হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তিনি।

ambiagroupগত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে ও খুলনায় আরও দু’টি টেস্টের ৪টি ইনিংসে তার ব্যাট হাসেনি। যার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে চলতি বছর খেলা টেস্টগুলোতেও। চলতি বছর পাকিস্তানের সঙ্গে ২টি, ভারতের সঙ্গে একটি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। কিন্তু কোনো ইনিংসের সেঞ্চুরি দূরে থাক, হাফসেঞ্চুরিরও দেখা পাননি তিনি।

চলতি টেস্ট ছাড়া এই বছরে খেলা মুশফিকের ইনিংসগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর ৩২, পাকিস্তানের বিপক্ষে খুলনা টেস্টের প্রথম ইনিংসে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরি পাওয়ার পর মুশফিক খেলেছেন আরও ৭টি টেস্টে ১১টি ইনিংস। ওই ইনিংসগুলোতে তার নেই কোনো হাফসেঞ্চুরি। এই ইনিংসগুলো দেখলেই বর্তমান ফর্মের চিত্র ফুটে উঠবে। ২৩*, ১১, ০, ১৫, ৪৬, ৩২, ০, ১২, ০, ২, ২৮। মোট রান ১৬৯!

Exploreএমন ঘটনা মুশফিকের ক্যারিয়ারে আরও একবার ঘটেছিল। ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বো টেস্টে প্রথম হাফসেঞ্চুরির (৮০ রানের) দেখা পেয়েছিলেন তিনি। এরপর টানা দশ ইনিংসে আর কোনো হাফসেঞ্চুরি ছিল না মুশফিকুর রহিমের। ওই দশ ইনিংসের মুশফিকের স্কোর লাইনগুলো হল— ১১*, ১, ৭, ৬, ৮, ০, ৭, ২, ১৫, ৪। মোট রান ৬১।

অন্যদিকে, প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের ভরসাই হয়ে রইলেন নাসির। অতিথিদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসের পুঁজিটা নির্ভর করার মতো নয় বাংলাদেশের। এরই মধ্যে সাজঘরে ফিরেছেন সব স্বীকৃত ব্যাটসম্যান। ব্যক্তিগত ১৩ রান নিয়ে অপরাজিত নাসিরের ব্যাটে ভরসা রেখেই তাই শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করতে হচ্ছে মুশফিকবাহিনীকে। বাংলাদেশ দলে চট্টগ্রাম টেস্টের একাদশ থেকে একটি মাত্র পরিবর্তন এসেছে। তাইজুল ইসলামের পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন নাসির হোসেন।

Kwality (1)সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে টস জিতে আগে ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। দিনশেষে প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান। এদিন খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে ৮৮.১ ওভার। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। এ ছাড়া মুমিনুল ৪০ এবং মাহমুদউল্লাহ ও সাকিব দু’জনই ৩৫ রান করেছেন। ব্যক্তিগত ১৩ রান নিয়ে ক্রিজে রয়েছেন নাসির হোসেন। শুক্রবার সকালে তার সঙ্গে ব্যাটিং করতে নামবেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে রয়েছেন লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন ডেল স্টেইন ও জেপি ডুমিনি।

প্রথম সেশনে এক উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যে বিপর্যয়ে পড়ে, দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমের ৯৪ রানের জুটিতে তা অনেকটাই কাটিয়েছে স্বাগতিকরা। তবে দিনের ৬৩তম ওভারে ব্যক্তিগত ৩৫ রানে ডেল স্টেইনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এর পর মুশফিক-সাকিবের জুটিতে ২০০ রান পেরিয়েছে বাংলাদেশ। মুশফিক আউট হওয়ার পর ৫ রানের ব্যবধানে আউট হয়েছেন তরুণ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস। এর পর দলীয় ২৪৫ রানে সাকিব আউট হয়েছেন ব্যক্তিগত ৩৫ রানে। এর পর ক্রিজে আসা মোহাম্মদ শহীদ ডেল স্টেইনের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন দলীয় ২৪৬ রানে। ফলে শেষ সেশনটা বাংলাদেশের জন্য হতাশারই হয়ে উঠেছে। ৮৮.১ ওভারে শহীদ আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন আম্পায়াররা।

 

 

লেখক সম্পর্কে

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

এই ধরনের আরো লেখা

০ মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি!

এই মুহূর্তে এখানে কোনো মন্তব্য নেই, আপনি কি একটি মন্তব্য দেবেন?

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

অক্টোবর ২০২০
সোমমঙ্গলবুধবৃহস্পতিশুক্রশনিরবি
« আগস্ট  
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১