Sports Bangla

শতাব্দীর সেরা মোরিনহো-রোনাল্ডো

শতাব্দীর সেরা মোরিনহো-রোনাল্ডো

শতাব্দীর সেরা মোরিনহো-রোনাল্ডো
জানুয়ারি ১৬
০৫:২১ ২০১৫

royal-magnum_bigব্যালন ডি’ওরের পরেই আরও এক সম্মানে ভূষিত হলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো৷ পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে শতাব্দীর সেরা ফুটবলার মনোনীত হলেন তিনি৷ ইউসেবিও এবং ফিগোকে হারিয়ে৷ ঘোষণা করেছে পর্তুগীজ ফুটবল ফেডারেশন৷ পর্তুগালের শতাব্দীর সেরা কোচ নির্বাচিত হয়েছেন হোসে মোরিনহো৷ বুধবার রাতে পর্তুগালের এস্তোরিলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মোরিনহোর হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়া হয়৷ অনুষ্ঠানে ছিলেন না রোনাল্ডো৷ তিনি ক্লাব ফুটবলে ব্যস্ত৷ তবে ফিফা প্রেসিডেন্ট ব্লাটার ও উয়েফা প্রেসিডেন্ট প্লাতিনি ছিলেন৷

মোরিনহোর কোচিংয়ে চেলসি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে রয়েছে৷ ফলে এই সম্মান, পুরস্কার মোরিনহোকে যে আরও উৎসাহিত করবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই৷ তিনি হলেন সেই পাঁচ কোচের মধ্যে অন্যতম, যিনি দুটি দলের কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন৷ চারটি ভিন্ন দেশের ক্লাবের হয়ে লিগ খেতাব জিতেছেন৷

Bright-sports-shop_bigসেই মোরিনহোই বুধবার রাতের অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সামনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘কেরিয়ারে যত খেতাব জিতেছি, তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল এফ সি পোর্তোর হয়ে জেতা খেতাবগুলো৷ কারণ দলটা ছিল পর্তুগিজ৷ একটা দারুণ মুহূর্তে এফ সি পোর্তো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল জিতেছিল৷ দলে ছিল ৯ জন পর্তুগিজ ফুটবলার৷ চাই, এই ব্যাপারটা আবার ঘটুক৷’ তার পরই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মোরিনহো বলে ওঠেন, ‘চ্যালেঞ্জ করছি, একইভাবে ঝুঁকি নিয়ে পরবর্তী পর্তুগিজ কোচ, দলে বেশিরভাগ পর্তুগিজ প্লেয়ার নিয়ে একটি পর্তুগিজ দলকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতিয়ে দেখাক৷ তাহলে আমি এই ট্রফি তাকেই দিয়ে দেব৷’

পর্তুগালের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচন করা হয় ভোটের মাধ্যমে। এই লড়াইয়ে রোনালদোর দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর একজন কিংবদন্তি ইউসেবিও পর্তুগালের হয়ে ১৯৬১ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত খেলেন। এই সময়ের মধ্যে খেলা ৬১ ম্যাচে পর্তুগালের হয়ে ৪১ গোল করেন তিনি।

১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে পর্তুগালকে তৃতীয় করেন ইউসেবিও। এখন পর্যন্ত এটাই বিশ্বকাপে দেশটির সেরা সাফল্য হয়ে আছে। ক্লাব ফুটবলে ক্যারিয়ারের বড় অংশই বেনফিকায় খেলে কাটান ইউসেবিও। পর্তুগালের এই ক্লাবটির হয়ে ১৫ বছরে ১১টি লিগ শিরোপা জেতেন তিনি। ১৯৬৫ সালে ইউরোপের বর্ষসেরা ফুটবলার হন ইউসেবিও। এ ছাড়া তিনবার ইউরোপিয়ান কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন ইউসেবিও। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে জেতেন গোল্ডেন বুট। ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জেতেন দুবার।

FMC-Sports-logo-300x133রোনালদোর আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী ফিগো ছিলেন পর্তুগালের ‘সোনালী প্রজন্ম’ -এর সারথি। ১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত পর্তুগালের হয়ে খেলা ফিগোর দেশের হয়ে সেরা সাফল্য ২০০৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্সআপ হওয়া। ১৯৯১ সালে অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল বিশ্বকাপও জেতেন তিনি। ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বার পর্তুগালের বর্ষসেরা ফুটবলার হন ফিগো। ২০০০ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ের পর ২০০১ সালে ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কারও জেতেন রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার সাবেক ফরোয়ার্ড।

বার্সেলোনা ও রিয়াল, দুই দলের হয়েই দুটি করে লিগ শিরোপা জেতেন ফিগো। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০০২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগও জেতেন। আর ইন্টার মিলানের হয়ে সেরি আর জেতেন চারটি।

২০০৪-এর ইউরোতে রানার্সআপ হওয়া পর্তুগাল দলের সদস্য ছিলেন রোনালদোও। পর্তুগালকে ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। ২০০৮ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপেও দলকে তোলেন তিন বারের বর্ষসেরা ফুটবলার রোনালদোও। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেমন সাফল্য না পেলেও ক্লাব ফুটবলে দারুণ সাফল্য আছে রোনালদোর। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে জেতেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। আর ব্যক্তিগত অর্জনের ডালাটাও ভালোই পূর্ণ তার।

Ambia all

লেখক সম্পর্কে

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

এই ধরনের আরো লেখা

০ মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি!

এই মুহূর্তে এখানে কোনো মন্তব্য নেই, আপনি কি একটি মন্তব্য দেবেন?

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

অক্টোবর ২০২০
সোমমঙ্গলবুধবৃহস্পতিশুক্রশনিরবি
« আগস্ট  
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১