Sports Bangla

মেসি জাদুতে চতুর্থ শিরোপা

মেসি জাদুতে চতুর্থ শিরোপা

মেসি জাদুতে চতুর্থ শিরোপা
আগস্ট ১২
০৩:২৪ ২০১৫

Explore1এটাকে শুধু নাটক বললেও যে কম বলা হবে! এতটা নাটকীয়তা কি কেউ ভেবেছিল। ম্যাচে মোট গোল হলো ৯টি। খেলা ১২০ মিনিটের। এরপরই কাংখিত জয়টি হাতে এলো বার্সেলোনার। সেভিয়াকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে বছরের চতুর্থ শিরোপা উয়েফা সুপার কাপ জিতে নিল লিওনেল মেসিদের বার্সেলোনা।

এই মেসিকে কোপা আমেরিকায় বড় খুঁজে-বেড়িয়েছেন আর্জেন্টিনার দর্শকরা। কিন্তু বার্সেলোনা তারকা যেন নিজেকেই হারিয়েই ফেলেছিলেন লাতিনের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে। কিন্তু সেই মেসিই কি না ক্লাবের জার্সিতে আগের মতই দুর্দান্ত। সেই চিরচেনা রূপে।

Kwality (1)উয়েফা সুপার কাপে সেভিয়ার বিপক্ষে মেসির জোড়া গোলে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত বেশ নাটকীয়তার পর ম্যাচ জিতেছে বার্সেলোনা। ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়েছে সেভিয়াকে। মেসি ছাড়াও বার্সার পক্ষে গোল করলেন রাফিনহা, সুয়ারেজ এবং পেদ্রো।

জর্জিয়ার বরিস প্যাইশাদজে স্টেডিয়ামে শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল বার্সেলোনাই। ৩ মিনিটে গোল করে বার্সাকে কাঁপিয়ে দেন মেসিরই জাতীয় দলের সতীর্থ এভার বানেগা।

সমতায় ফিরতে বেশিক্ষণ সময় লাগেনি। ৭ম মিনিটেই গোল করেন মেসি। ৮ মিনিট পর আবারও মেসি শো। ১৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন।

৪৪ মিনিটে রাফিনা এবং ৫২ মিনিটে গোল করেন লুইস সুয়ারেজ। ৪-১ গোলে যখন বার্সা এগিয়ে, তখন ৫৭, ৭২ এবং ৮১ মিনিটে তিনটি গোল করে সমতায় ফেরে সেভিয়া। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১১৫তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে মেসির শট প্রতিপক্ষের দেয়ালে লেগে ফিরে আসে, ফিরতি বলে আর্জেন্টিনা তারকার শট প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে কিছুটা দিক পাল্টালেও ঠেকিয়ে দেন সেভিয়া গোলরক্ষক। কিন্তু বল আয়ত্ত্বে রাখতে পারেননি তিনি। ফিরতি বল পেয়ে খুব কাছ থেকে জালে জড়িয়ে দলকে উল্লাসে ভাসান স্প্যানিশ স্ট্রাইকার পেদ্রো।

Milestone-wedding-1-main colorখেলার ৩ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে গোল করেন বানেগা। তবে সমতায় ফিরতে বেশিক্ষণ সময় লাগেনি বার্সার। ৭ম মিনিটেই ফ্রি কিক থেকে গোল করেন মেসি। ৮ মিনিট পর আবারও মেসি শো। ১৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলেরও দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এটাও এলো ফ্রি কিক থেকে। অথ্যাৎ ম্যাচের প্রথম তিন গোলই এলো ফ্রি কিক থেকে। প্রথমার্ধেই ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় বার্সা। ৪৪ মিনিটে রাফিনা। এরপর ৫২ মিনিটে গোল করে ব্যবধান ৪-১ করে ফেলেন লুইস সুয়ারেজ। এতবড় ব্যবধান তৈরী হওয়ার পর বার্সার নিশ্চিত জয়ই ধরে নিয়েছিল সবাই।

কিন্তু নাটক তো তখনও শুরুই হয়নি। শুরু হয়েছিল ৫৭ মিনিট থেকে। হোসে আন্তোনিও রেয়েসের ডান পায়ের শট কাঁপিয়ে দেয় বার্সার জাল। পরিণত হয় ৪-২ ব্যবধান। এরপর ৭২ মিনিটে কেভিন গ্যামেইরো ব্যবধান আরও কমিয়ে আনেন। পেনাল্টি থেকে গোলটি করেন তিনি।

৮১ মিনিটে নাটকের চূড়ান্ত রূপ দেন ইয়েভেন কনোপ্লিয়াঙ্কা। বাম পায়ের শটে সেভিয়াকে ৪-৪ সমতায় ফিরিয়ে আনেন তিনি। লড়াইটা বেশ ভালোকরে জমিয়ে তুলেও শেষ পর্যন্ত যখন টাইব্রেকারে খেলাকে টেনে নেওয়ার অপেক্ষা করছিলো তারা, তখনই সর্বনাশ করে দেন পেদ্রো। বার্সার জয় ছিনিয়ে আনেন শেষ গোলটি করে। আর বছরের সম্ভাব্য ছয়টি শিরোপা জেতার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বার্সেলোনা।

লেখক সম্পর্কে

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

এই ধরনের আরো লেখা

০ মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি!

এই মুহূর্তে এখানে কোনো মন্তব্য নেই, আপনি কি একটি মন্তব্য দেবেন?

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

নভেম্বর ২০২০
সোমমঙ্গলবুধবৃহস্পতিশুক্রশনিরবি
« আগস্ট  
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০