Sports Bangla

প্রশংসায় পঞ্চমুখ লতা-শচীন

প্রশংসায় পঞ্চমুখ লতা-শচীন

প্রশংসায় পঞ্চমুখ লতা-শচীন
সেপ্টেম্বর 29
07:15 2014

Bright-sports-shop_bigতিনিও ভারতের সর্বোচ্চ পদক ভারতরত্ন পেয়েছেন। ইনিও পেয়েছেন। এই তিনি ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। আর ইনি ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রিকেটার শচীন রমেশ টেন্ডুলকার। দুজন দুজানার এতটাই ভক্ত যে, সময়-সুযোগ পেলেই একে অপরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠেন।

রোববার ছিল কিংবদন্তি লতার ৮৫ তম জন্ম বার্ষিকী। আগেই জানা গিয়েছিল মুম্বাইয়ের সম্মুখানন্দ হলে লতার জন্ম বার্ষিকীতে হাজির থাকবেন টেন্ডুলকার। কিন্তু যাকে নিয়ে আয়োজন সেই লতাই এলেন না অনুষ্ঠানে। কারণ ডাক্তারের কড়া নিষেধ। কদিন ধরেই শরীরটা ভাল যাচ্ছিল না লতার। তাই ইচ্ছা থাকলেও ডাক্তারের ইচ্ছাকেই প্রাধান্য দিতে হয়েছে তাকে। এদিন লতার অবর্তমানে তার পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ভাই হৃদয় নাথ এবং আরেক বোন ঊষা। অজ্ঞাত কারণে আসেননি আরেক বোন বিখ্যাত গায়িকা আশা ভোঁসলে।

লতার অনুপস্থিতিতে সম্মুখানন্দ হলে হাজার তিনেক লোকের সামনে মধ্যেমণি হয়ে উঠলেন এ যুগের ডন টেন্ডুলকার। লতাকে নিয়ে টেন্ডুলকারের ভালবাসার অন্ত নেই। এদিন যেন বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি আবেগের বিস্ফোরণ ঘটালেন। টেন্ডুলকার বললেন, ‘এই হলে যদি পচাত্তর বছরের কেউ থাকেন তিনিও ছোটবেলায় দিদির (লতা মঙ্গেশকর) গান শুনেছেন। আমরাও শুনেছি। আমি যখন প্রথম খেলতে শুরু করি তখন ওয়াকম্যানে গান শুনতাম। এরপর এল সিডি প্লেয়ার। তারপর সিডি ডিস্ক প্লেয়ার। আজকের দিনে আইপড। আমার ক্রিকেট কিটসের ভেতর যন্ত্রগুলো বদলে যেত। দিদির গানই শুধু বদলাল না।’

ক্রিকেট মাঠে সুখ-দুঃখের সাথি ছিল লতার গান। সেটা মনে করিয়ে দিয়ে টেন্ডুলকার বলেন, ‘কম রানে আউট হয়েছি। মন খারাপ হয়েছে। কি শুনব-দিদির দুঃখের গান শুনেছি। রান পেয়ে নিজেকে চাঙ্গা লাগছে। এখন কি শুনব-আবার সেই দিদি। সবসময় যেন তিনি সীমাহীন বিস্ময়ের বাহন! ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তার ক্রিকেট জ্ঞান এবং খেলাটার খোঁজখবর নেওয়া দেখে স্তম্ভিত হয়েছি!’

টেন্ডুলকার সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে। ওই সেঞ্চুরির পর দেশে ফিরলে লিটল মাস্টারকে লতা তার নিজের হাতে লেখা একটা গান উপহার দিয়েছিলেন। যেটা এখনও ভোলেননি টেন্ডুলকার, ‘১৯৬৬ সালে উনি একটা বিখ্যাত গান গেয়েছিলেন, ‘তু যাহা, তু যাহা, চলে গা মেরা সায়া, ওই গানের ‘নোটেশন’ আমার শততম সেঞ্চুরির পর নিজের হাতে লেখে আমাকে উপহার দিয়েছিলেন। আমার ঘরে সেটা ফ্রেমে বাঁধাই করা আছে।’

এরপর টেন্ডুলকার যেটা বললেন সেটা সবার জন্যই শিক্ষনীয়। লতার মতো কিংবদন্তি শিল্পির কাছে টেন্ডুলকার কিছুই নয়! এটা কারো কথা নয় স্বয়ং টেন্ডুলকারের, ‘আজ বারবার বলা হচ্ছে আমি সম্মাননা জ্ঞাপন করতে এসেছি। আমি শুধু এটুকু বলি, আমি দিদিকে সম্মান জানাতে পারি না। আমি তার যোগ্য নই। আমি শুধু দিদির কাছে আশীর্বাদ চাইতে পারি।’

লেখক সম্পর্কে

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

এই ধরনের আরো লেখা

০ মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি!

এই মুহূর্তে এখানে কোনো মন্তব্য নেই, আপনি কি একটি মন্তব্য দেবেন?

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

অক্টোবর ২০২১
সোমমঙ্গলবুধবৃহস্পতিশুক্রশনিরবি
« আগস্ট  
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১