Sports Bangla

দেড় লাখ শব্দের আত্মজীবনী

দেড় লাখ শব্দের আত্মজীবনী

দেড় লাখ শব্দের আত্মজীবনী
নভেম্বর ০৮
২০:১৬ ২০১৪

ambiagroupটেনডুলকারের আত্মজীবনী প্লেয়িং ইট মাই ওয়ের সহ-লেখক হিসাবে কাজ করেছেন ক্রিকেট গবেষক, লেখক এবং ভাষ্যকার বরিয়া মজুমদার।

২০১১ সালের বিশ্বকাপের পর থেকে সাড়ে তিন বছর ধরে দুজনে মিলে রচনা করেছেন দেড় লাখ শব্দের এই আত্মজীবনী।

শচিনের মত এত বিশাল এক ক্রিকেট তারকার সাথে, তাকে নিয়ে এই জীবনী গ্রন্থ লেখার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল।

এক সাক্ষাৎকারে, বরিয়া মজুমদার বলেন, প্রধানত দুটো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।

এক, শচিনের না জানা দিক খুঁজে বের করা। দুই, শচিন যেভাবে কথা বলেন, সেই ভাষা ব্যবহার করে বইটি লেখা যাতে পাঠক বোধ করেন যাতে প্রতিটি বাক্য যেন শচিনই তাদের বলছেন।

“শচিনকে নিয়ে এত বেশি কথা, এত বেশি লেখালেখি, এত বেশি আগ্রহ যে আমার প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল কিভাবে তার জীবনকে তুলে ধরা সম্ভব যে জীবন মানুষ জানেনা।”

bright_academy_bigবরিয়া বলেন, বইটিতে এমন অন্তত দুশটি ঘটনার কথা আছে যেটা মানুষ কখনই জানতো না।

উদাহরণ হিসাবে স্ত্রী অঞ্জলীর সাথে প্রথম সাক্ষাতের কথা বলেন তিনি।

রক্ষণশীল পরিবার হওয়ায়, প্রথমদিন অঞ্জলী শচিনের সাথে দেখা করতে এসেছিলেন একজন মহিলা সাংবাদিকের ছদ্মবেশে। দুজনে সেটা পরিকল্পনা করেছিলেন।

“অঞ্জলীকে আপ্যায়ন করতে গিয়ে শচিন এতটাই নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলেন যে কিছু না পেয়ে ইংল্যান্ডে থেকে আনা দুটো চকলেট ছুরি দিয়ে কয়েক টুকরো করে তা প্লেটে সাজিয়ে অঞ্জলীর সামনে হাজির করেছিলেন।”

লেখক হিসাবে বরিয়া মজুমদারের আর যে প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল তা হলো ভাষা। শচিন যেভাবে কথা বলেন সেই ভাষা ব্যবহার করে বইটি লেখা যাতে পাঠক বোধ করেন যাতে প্রতিটি বাক্য যেন শচিনই তাদের বলছেন।

একারণে দুজনের ১৩৫ ঘণ্টার কথপোকথন রেকর্ড করা হয়েছিল। “আমি আমার ইংরিজি লিখতে চাইনি। আমি চেয়েছি মানুষ যেভাবে টিভিতে শচিনেকে কথা বলতে দেখেন, বই পড়েও যেন তারা সেই শচিনকেই উপলব্ধি করেন।”

শচিন কি কোনো কিছু গোপন করতে চেয়েছেন?

বরিয়া মজুমদার বলেন, শুরু থেকেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তথ্য প্রমাণ নেই এমন কোনো বিষয় তারা বইতে আনবেন না।

এ প্রসঙ্গে ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তুলে মি মজুমদার জানান, যেহেতু শচিনের কাছে কোনো প্রমাণ নেই তাই এ প্রসঙ্গে কোনো ক্রিকেটারের নাম করা হয়নি।

বইয়ের নামকরণ কিভাবে হয়েছিল? বরিয়া মজুমদারের ভাষ্যমতে, শচিন, তিনি এবং প্রকাশক মিলে সেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল। “তবে শেষ সিদ্ধান্ত ছিল শচিনের, তিনি পছন্দ করেছিলেন বলেই বইয়ের টাইটেল ঠিক হয় প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে।

লেখক সম্পর্কে

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

এই ধরনের আরো লেখা

০ মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি!

এই মুহূর্তে এখানে কোনো মন্তব্য নেই, আপনি কি একটি মন্তব্য দেবেন?

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

অক্টোবর ২০২০
সোমমঙ্গলবুধবৃহস্পতিশুক্রশনিরবি
« আগস্ট  
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১