Sports Bangla

ক্ষমা চাইলেন ম্যারাডোনা!!!

ক্ষমা চাইলেন ম্যারাডোনা!!!

ক্ষমা চাইলেন ম্যারাডোনা!!!
আগস্ট 18
08:44 2015

Milestone-wedding-1-main color‘হ্যান্ড অব গড’ নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে করা সেই গোলটি আজও বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোচিত-সমালোচিত। সুযোগ পেলেই ম্যারাডোনা এবং ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিলটন সে গোল নিয়ে একে অপরকে খুঁচা মারতে ছাড়েন না।

আর ব্রাজিল ভক্ত বা আর্জেন্টিনা বিদ্বেষীরা তো এটাকে নিয়ে কম সমালোচনা করেননি। বহুদিন পর ফের আলোচনায় ৮৬ বিশ্বকাপের সেই আলোচিত ঘটনাটি। দীর্ঘ ২৯ বছর পর আর্জেন্টিনা কিংবদন্তী হ্যান্ড অব গোল ম্যাচের রেফারি আলী বিন নাসের’র কাছে ক্ষমা চাইলেন।

বাণিজ্যিক এক প্রচারণায় সোমবার তিউনিসিয়া সফরে গেলেন ফুটবল কিংবদন্তী দিয়েগো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের আলোচিত সেই কোয়ার্টার ফাইনালের রেফারি আলী বিন নাসের’র কাছে ক্ষমা চাওয়ার এই মোক্ষম সুযোগ নষ্ট করলেন না তিনি। ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটিকে মূল রেফারির দায়িত্ব পালন করেছিলেন আলী বিন নাসের। তার চোখকে ফাঁকি দিয়েই ম্যারাডোনা ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত গোলটি করেন। যে কারণে সমালোচনা ও নিন্দার মুখেও পড়েন এই তিউনিস রেফারি।

Bright-sports-shop_big১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের ঘটনাটির ২৯ বছর পর তিউনিসিয়া সফরে গিয়ে রেফারি আলী বিন নাসের’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তার কাছে ক্ষমা চেয়ে ম্যারাডোনা বলেন, ‘আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি মিস্টার বিন নাসের। আমি সেই গোলটি ঈশ্বরের হাত দিয়ে করেছি।’

বিশ্বকাপের সেই কোফার্টার ফাইনালটি ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উত্তীর্ণ হয় দিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা। এরপর ফাইনালে জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বজয়ের আনন্দে মাতে ম্যারাডোনার দল। কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনা বিতর্কিত হ্যান্ড অব গোলটি করলেও শতাব্দীর সেরা গোলটিও সেই ম্যাচে উপহার দেন তিনি। ইংল্যান্ডের ছয় সাতজন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে সর্বকালের সেরা গোলটি উপহার দেন এই ফুটবল কিংবদন্তী।

এদিকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের সেই আলোচিত ঘটনার দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত বছর ম্যারাডোনার ‘বিতর্কিত’ সেই গোল নিয়ে মুখ খুলেছেন রেফারি আলী বিন নাসের। এই তিউনিস রেফারি জানিয়েছেন, ঐ ঘটনায় তার কোনো দোষ ছিল না। ম্যাচে তার সহকারী বুলগেরিয়ান লাইন্সম্যান বগজান দোয়াৎচেভের ভুলেই গোলটি হয়েছিল।

ম্যারাডোনার হ্যান্ড অব গোল’র ব্যাখ্যায় নাসের বলেন, ‘সে সময়ের ভিডিওটি দেখুন। গোলের পর আমি পেছনের দিকে দৌড়াচ্ছিলাম। কেননা, গোল নিয়ে আমার কিছুটা সন্দেহ ছিল। সে কারণে লাইন্সম্যানের দিকে লক্ষ্য রেখেছিলাম। আর তার সংকেতের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু সে কিছুই জানায়নি।’

এরপর তিনি বলেন, ‘আমি তার (ম্যারাডোনার) হাতটা দেখিনি। যদি ওটা দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপে (২০১০ সালে) হতো তাহলে আমি ওই গোল বাতিল করতাম। কিন্তু সে সময় ফিফা থেকে পরিষ্কার নির্দেশনা ছিল, মাঠে তোমার সহকর্মীর অবস্থান যদি তোমার চাইতে ভালো জায়গায় থাকে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। আমি সে অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমার সহকারী তার পতাকা তুলেনি।’

explore

লেখক সম্পর্কে

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

এই ধরনের আরো লেখা

০ মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি!

এই মুহূর্তে এখানে কোনো মন্তব্য নেই, আপনি কি একটি মন্তব্য দেবেন?

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

মে ২০২১
সোমমঙ্গলবুধবৃহস্পতিশুক্রশনিরবি
« আগস্ট  
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১