Sports Bangla

ক্যারিয়ারের ১০ম বছরে সাকিব

ক্যারিয়ারের ১০ম বছরে সাকিব

ক্যারিয়ারের ১০ম বছরে সাকিব
আগস্ট ০৬
১৬:৪৭ ২০১৫

Kwality (1)ক্রিকেটের তিন ফরমেটেই সাকিব আল হাসান এখন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ক্রিকেটবিশ্বে বাংলাদেশ যতটা না বড় নাম, তার চেয়েও বড় নাম এ বাঁহাতি অলরাউন্ডার। আর জনপ্রিয়তা! বিশ্বের যে কোন জনপ্রিয় ক্রিকেটারের কাছাকাছি থাকবে সাকিবের নাম। আর বিশ্বের প্রায় সব দেশের ঘরোয়া বড় বড় টুর্নামেন্টে তার ডাক পড়ে নিয়মিতই।

সেই সাকিব আল হাসানই হাঁটি হাঁটি পা পা করে ক্যারিয়ারের ৯টি বছর পার করে ফেলেছেন। এবার পা দিয়ে ফেললেন ক্যারিয়ারের ১০ম বছরে। সাকিবের এই দশ বছরেই বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা দেখেছে, কিভাবে একটি দল হিসেবে গড়ে উঠেছে টাইগাররা। ক্যারিয়ারে এখনও অনেক পথ বাকি। ব্যাক্তিগত অর্জনের চেয়েও এখন দল হিসেবে আরও কিছু অর্জন চাই বাঁ-হাতি এ ক্রিকেটারের।

ambiagroup২০০৬ সালের জুলাই-আগস্টে জিম্বাবুয়ে সফরে যায় বাংলাদেশ। ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম চারটিতেই সিরিজ জিতে নেয় স্বাগতিকরা। শেষ ম্যাচ হয়ে দাঁড়ায় নিয়মরক্ষার। বাংলাদেশি সিরিজে পিছিয়ে ৩-১। শেষ ম্যাচে জিতলে ব্যবধানই শুধু কমবে। এ কারণেই, শেষ ম্যাচে সুযোগ করে দেওয়া হয় স্কোয়াডে নতুন আসা সাকিব আল হাসান আর মুশফিকুর রহিমকে। যদিও মুশফিকের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তারও প্রায় ১৫ মাস আগে।

৬ আগস্ট ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে সাকিব আল হাসানের। আর অভিষেকেই জয়। হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়েন এ বাঁহাতি অলরাউন্ডার। বল হাতে ১টি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে নেমে নেমে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ওই ম্যাচটিতে শাহরিয়ার নাফিসের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় টাইগাররা।

Milestone-wedding-1-main colorবিদেশের মাটিতে ওয়ানডে অভিষেক হলেও ক্রিকেটের বাকী দুই ফরমেটে ঘরের মাঠেই প্রথম খেলতে নামেন সাকিব। ২০০৬ সালেই তার টি২০ অভিষেক ঘটে। প্রতিপক্ষও সেই জিম্বাবুয়ে। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ২৮ নভেম্বরের ম্যাচটিতে ব্যাট হাতে ২৬ ও বল হাতে ১টি উইকেট নেন এ বাঁহাতি স্পিনার। পরের বছরই  (২০০৭) ভারতের বিপক্ষে সাদা পোশাকে ক্রিকেটে তার আগমন ঘটে। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টেস্ট ম্যাচটি ড্র হয়।

দেখতে দেখতে ৯ বছর পার হয়ে গেল সাকিবের। ২৮ বছর বয়সী সাকিবও এই দীর্ঘ সময়ে ক্রিকেট বিশ্বে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৪২ টেস্ট, ১৫৫ ওয়ানডে এবং ৩৮টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন দেশসেরা এ বাঁহাতি অলরাউন্ডার। টেস্টে ১৯টি ফিফটি ও তিনটি  সেঞ্চুরির সাহায্যে ৩৯.৭৬ গড়ে ২,৮২৩ রান করেছেন। ওয়ানডেতে ৩৫.৩৩ গড়ে ৪,৩৮২ রান। ৩০টি অর্ধশতকের পাশাপাশি রয়েছে ছয়টি সেঞ্চুরি।

আর ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ টি২০তে ২৪.০৮ গড়ে ৮৪৩ রান করেন। এ ফরমেটে তিনি পাঁচটি পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস উপহার দেন। বল হাতেও দারুণ সফল সাকিব। টেস্ট, ওয়ানডে, টি২০ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা যথাক্রমে ১৪৭, ২০১ ও ৪৫। দেশের হয়ে ওয়ানডে বাদে বাকি দুই ফরমেটে তিনি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। একদিনের ক্রিকেটে আর মাত্র সাত উইকেট পেলেই আব্দুর রাজ্জাকের ২০৭ উইকেটের রেকর্ড টপকে যাবেন দেশসেরা এ বাঁহাতি অলরাউন্ডার।

explore

লেখক সম্পর্কে

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

স্পোর্টসবাংলা ডেস্ক

এই ধরনের আরো লেখা

০ মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি!

এই মুহূর্তে এখানে কোনো মন্তব্য নেই, আপনি কি একটি মন্তব্য দেবেন?

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

নভেম্বর ২০২০
সোমমঙ্গলবুধবৃহস্পতিশুক্রশনিরবি
« আগস্ট  
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০